১/১২/২০০৪
দীপেন ভট্টাচার্যের গল্প ‘প্রতিসরিত প্রতিবিম্ব’। মিডল ইস্ট থেকে দেশে ফেরার পথে প্লেনে লেখকের সাথে পরিচিত হয় একজন অপেক্ষাকৃত কমবয়সী বাংলাদেশীর। যার মধ্যে লেখক নিজের ছায়া দেখতে পান। এয়ারপোর্ট থেকে নিজের গাড়িতে লিফ্ট দেন। লোকটিকে তার বাসার গেটে নামিয়ে দিয়ে লেখন নিজের বাড়িতে আসার পরে দেখা যায় লোকটা তার নিজের একটা ব্যাগও নিয়ে নেমে গেছে সাথে। পরদিন সেখানে গিয়ে ঐ নামে কাউকে খুঁজে পাওয়া যায় না। এমনকি ঐ পাড়া থেকেই কেউ কোনদিন দেশের
বাইরে যায়নি। কিছুদিন পরে লেখক একটা ই-মেইল পান, যেখানে লেখকের কাছে একজন জানতে চাচ্ছেন লেখক ভুল করে ঐ লোকের একটা ব্যাগ নিয়ে গেছেন কিনা সাথে। লেখক বুঝতে পারেন যে তার ব্যাগ যে নিয়েছে সে এখন লেখকের পরিচয়ে অন্যজনের ব্যাগ হাফিস করে বেড়াচ্ছে। আইডেন্টিটি থিফ।কবি ত্রিদিব দস্তিদার মারা গেছেন।
যায় যায় দিনের শফিক রেহমান স্মৃতিচারণ করেছেন এই কবির। ত্রিদিব দস্তিদারের সাথে আমার
একবার মাত্র দেখা হয়েছিলো। তিনি আমার খাতায় একটা ছবি এঁকে অটোগ্রাফ দিয়েছিলেন। খাতাটা
মামামের কাছে আছে। ত্রিদিব একাকী জীবন কাটিয়েছেন। জীবনের সঠিক অর্থ হয়তো বুঝতে পেরেছিলেন
তিনি।
রুশ লেখক আন্তন শেকভের গল্পের বই
নিয়ে এসেছি দুটো। লাইব্রেরি থেকে। শেকভ ছিলেন ডাক্তার। কিন্তু সাহিত্য ছিলো তাঁর আসল।
শেকভ বলতেন ডাক্তারী হলো তাঁর আইনত স্ত্রী, কিন্তু সাহিত্য হলো তাঁর সত্যিকারের প্রেয়সী। দুটো গল্প পড়লাম আজ। মনে হচ্ছে শেকভের গল্পগুলো
বাংলায় বসিয়ে দেয়া যায়। শুধু ভাষায় নয়, পরিবেশেও। করা যাবে না কেন? আমাদের দেশের আঙ্গিকে
ঢেলে সাজালে ক্ষতি কী? এখন তো আর কোপেক বা রুবল নেই, কিন্তু মানুষের মন, সমাজের অনেক
কিছু একই রকম রয়ে গেছে। পরীক্ষানিরীক্ষা করা যায়।
কলম্বাস, ওহাইও

No comments:
Post a Comment