Tuesday, 25 August 2026

পাঠকের দিনলিপি ১৯-নভেম্বর-২০০৪

 


নভেম্বর ১৯, ২০০৪

বাংলাদেশে এখন র‌্যাবের হাতে অনেকের মৃত্যু হবার দরুন বেশ আলোচনা চলছে র‌্যাবের পক্ষে বিপক্ষে। যেহেতু এটা সরকারী বাহিনী সেহেতু বিরোধীদলের বিরোধিতা চোখে পড়ার মত। এর মধ্যে বি-এন-পি’র নাজমুল হুদা বলেছেন র‌্যাব আসলে আল্লার বিচার করছে। এ নিয়ে ৮ নভেম্বর জনকণ্ঠে লিখেছেন শাহ এ এম এস কিবরিয়া। 

বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় এখন রমরমা ব্যবসা করছে বাংলাদেশে। কিছুদিন আগেও যারা কিন্ডার গার্ডেন স্কুলের ব্যবসা করার কথা চিন্তা করতো তারা এখন ভাবেন কিভাবে একটা বিশ্ববিদ্যালয় দেয়া যায়। অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে বাংলাদেশে কোচিং সেন্টার খোলার মতোই বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে নতুন নতুন। এ পর্যন্ত ৫২টি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন পেয়েছে বাংলাদেশে। যার মধ্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার (হাবিব ২ + লতিফ২) ৪টি, আওয়ামী লীগ ৩টি আর জোট সরকার  ৪৫টি। মান নিয়ে কথা বলে এখন অপমানিত হওয়া ছাড়া আর কোন কিছু হচ্ছে না। এ নিয়ে  নুরুল ইসলাম নাহিদ লিখেছেন ‘‘বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য দায়ী কে?’’

৮ নভেম্বর ভোরের কাগজে মহিউদ্দিন আহমেদ লিখেছেন ‘বাংলাদেশের আহমদিয়াদের প্রোটেকশান দিতে এবার এগিয়ে এলেন ইউরোপীয় রাষ্ট্রদূতরা। পাকিস্তানি স্টাইলে বাংলাদেশে আহমদিয়াদের অমুসলমান ঘোষণা করার দাবীতে কট্টরপন্থীরা আহমদিয়াদের মসজিদ দখল করছে। মেরে কেটে সাফ করে দিতে চাচ্ছে প্রকাশ্যে। রমজানের ভেতর এ উগ্রতা বেড়ে গেছে। ৫ নভেম্বর ঘোষণা দিয়েই আহমদিয়াদের মসজিদ দখল করে নেবার চেষ্টা করা হয়েছিলো। সেখানে আহমদিয়াদের পক্ষে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৫ টি দেশের রাষ্ট্রদূতরা আহমদিয়াদের সাথে সংহতি ঘোষণা করেছিলেন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে মেয়েদের হলের ছাদে দুর্বৃত্তদের দেখে মেয়েরা প্রভোস্টকে রিপোর্ট করতে গেলে তিনি খুব খারাপ ব্যবহার করেন মেয়েদের সাথে। সেটার প্রতিবাদ করতে গেলে পুরো ব্যাপারটা একটা নারকীয় ঘটনায় পরিণত হয়। শিবির ছাত্রদল আর জামাত পন্থী শিক্ষকরা মিলে ছাত্রীদের পেটায়। ইউনিভার্সিটি বন্ধ হয়ে গেছে। অনেকে আহত। ঘটনার বিশ্লেষণ করে ভোরের কাগজে লিখেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলার প্রফেসর ডঃ মোঃ হারুন-অর-রশীদ ‘‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রী লাঞ্ছনা শামসুন্নাহার স্টাইল’’। একটা জিনিস উল্লেখ্য যে আমাদের চেতনা ক্রমশ কমে যাচ্ছে। শামসুন্নাহার হলের ঘটনার পর যেরকম প্রতিবাদ হয়েছিলো রাজশাহীর ঘটনাটা সেরকম হলেও সেরকম প্রতিবাদ হয়নি। আমাদের ছেলেমেয়েরা এখন সব কিছুতেই ভীষণ ক্লান্ত। কারণ হয়তো তারা জেনে গেছে যে এখানে আর কিছুতেই কিছু হবে না।

ভোরের কাগজের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সংখ্যা বেরিয়েছে অনেকদিন আগে। ২৮ জুলাই। এতদিন চোখে পড়েনি। সম্প্রতি পড়লাম সেখান থেকে কিছু কিছু লেখা। চমৎকার সব লেখা সেখানে। মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান লিখেছেন ‘দেশে কি আইন-আদালত নাই!’’ চরম অব্যবস্থার মাঝেও মানুষ এখনো আইন আদালতের প্রতি সামান্য হলেও ভরসা করে থাকে তা লিখেছেন তিনি। কিন্তু বাংলাদেশের আইন-আদালত সম্ভবত আর বেশিদিন সাধারণ মানুষের পক্ষে থাকবে না।

মফিদুল হক লিখেছেন ‘বাঙালির নিজস্ব রাষ্ট্র এবং রাষ্ট্রচিন্তা।

বাংলাদেশে এখনো পাকিস্তানী দিবস পালন করা হয় বেশ আড়ম্বর করে। সেসব অনুষ্ঠানের খবরও প্রচার হয়। আনোয়ার জাহিদের মত লোক সেখানে গরম গরম ভাষণও দেন। এসব নিয়ে লিখেছেন যতীন সরকার ‘উদ্ধত দুঃসাহস বাংলাদেশে পাকিস্তানি দিবস উদযাপন’। বাংলাদেশে এখন প্রকাশ্যে বলা হচ্ছে ‘১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর এদেশের স্বাধীনতা আসেনি, জাতির স্বাধীনতা এসেছে ১৫ই আগস্ট। ১৫ই আগস্টের অর্জনকে নস্যাত করার জন্য কিছু বিশ্বাসঘাতক ষড়যন্ত্র করেছিলো ৩রা নভেম্বর। কিন্তু তাতে তারা সফল হয়নি বরং সেউ বিজয়কে ধরে রাখতেই ৭ নভেম্বরের জন্ম।’

বড় চমৎকার। ইতিহাস সম্পর্কে চমৎকার কথা শুনেছি সেদিন উডি এলেনের একটা ছবিতে। ইতিহাস রচনা করেন বিজয়ীরা। সেখানে তাদের জয়গাথাই লেখা থাকে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হিটলার জিতলে পৃথিবীর ইতিহাস অন্যভাবে লেখা হতো। হলোকাস্ট তখন কিসের মর্যাদা পেতো চিন্তা করা যায়?

বোরহান উদ্দিন খান জাহাঙ্গীর লিখেছেন ‘খালেদা জিয়া এবং তালেবান সহযোগীরা’। গতানুগতিক লেখা।

সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম লিখেছেন ‘ইতিহাসের শক্তি, ইতিহাসের রায়’। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এখন জোটীয়করণ করা হয়েছে। এখন মুক্তিযুদ্ধের প্রধান নায়ক করা হচ্ছে জিয়াউর রহমানকে। এত মোছার পরেও শেখ মুজিবের নাম যায়না। এটাই বড় দুঃখ খালেদাজিয়ার বর্তমান সৈন্যদের। তবে বিপদকালে তারা সব থাকবে তো পাশে?

খালেদা জিয়ার পদলেহী বুদ্ধিজীবী মনিরুজ্জামান মিএ্ণা একটা শিক্ষানীতি পয়দা করেছেন। শিক্ষাকমিশন রিপোর্ট। তানিয়ে লিখেছেন মুহম্মদ জাফর ইকবাল ‘‘একটি অপ্রয়োজনীয় দলিল’’। রিপোর্টটা সম্পর্কে প্রফেসর জাফর ইকবালের কথাতেই বলা যায়, ‘‘এটি কার্যকর শিক্ষাকমিশনের রিপোর্ট নয়।’’ ‘‘ শিক্ষাকে ধর্মের সাথে গুলিয়ে ফেলে সাম্প্রদায়িক ভাবধারার এই শিক্ষানীতিটির কোথাও কোথাও আধুনিক কথাবার্তা বলা হলেও এটি আমাদের একশ বছর পিছিয়ে নেবে। যারা এর প্রণয়ন করেছেন তারা বাংলাদেশ যে আদর্শে জন্ম হয়েছে সেই আদর্শকে বিশ্বাস করেন না, তারা আদর্শ হিসেবে বেছে নিয়েছেন পাকিস্তানকে! দেশ আজকাল ধর্ম ব্যবসায়ীতে ভরে গেছেকিন্তু শিক্ষা কমিশনের রিপোর্ট এই দেশের কিছু কিছু শিক্ষিত মানুষ যখন ধর্মকে এতো নির্লজ্জভাবে ব্যবহার করেন তখন সেটি গ্রহণ করা কঠিন। আমার ধারণা সাম্প্রদায়িক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করার জন্য তারা এই দেশের ইতিহাসে নিন্দিত হয়ে  থাকবেন।’’

বাংলাদেশের বাইরে আছি প্রায় সাত বছর হয়ে গেলো। দেশের সংবাদ যা পাই তা কেবল দুঃসংবাদ। মনে হয় বাংলাদেশ একটা অন্ধকার যুগে পড়ে আছে কতদিন থেকে। এখানে সংস্কৃতির সুবাতাস ঢোকে না। এখানে মানুষ কেবল সংগ্রাম করছে বেঁচে থাকার জন্য। কিন্তু আসলে তা নয়। পৃথিবীর আরো অনেক দেশের মতোই জীবন আমাদের দেশের মানুষেরও। সেখানেও রবীন্দ্রনাথ আছেন, সিনেমা গল্প আছে, গ্রুপ থিয়েটার আছে, প্রেম আছে, বিচ্ছেদ আছে। ওয়াহিদুল হকের লেখায় দেশের পজিটিভ দিক খুব একটা থাকেনা সাধারণত, কিন্ত এবারের লেখাটা পড়ে ভালো লাগলো ‘‘বাংলা রয়েছে বাংলায়ই রবীন্দ্রনাথেই’’। ফরিদপুরের রবীন্দ্রসম্মেলন সম্পর্কে লিখেছেন একটা পরিচ্ছেদে। লিখেছেন করুণাময় অধিকারীর কথা, লিখেছেন গানের শহর চাঁদপুরের কথা যেখানে নাকি প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই হারমোনিয়াম আছে, লিখেছেন সেখানে সংস্কৃতি চর্চার কথা। খুব ভালো লাগলো। কিছুই দেখিনি আমি বাংলাদেশের। নিজের দেশই নিজের কাছে রয়ে গেছে অপরিচিত। কখনো কি দেখা হবে না আমার?

মুনতাসির মামুনের লেখা ‘‘চুক্তিযোদ্ধাদের মুক্তিযুদ্ধ দখল’’। বাংলাদেশের ইতিহাস বিকৃতির স্বরূপ উন্মোচন করে চলেছেন তিনি। লেখাটা বড়, কিন্তু বেশ তথ্যনির্ভর।

জুয়েল আইচ লিখেছেন ‘‘আমেরিয়াকন ভিসা’’। তিনি ফোবানা সম্মেলনে আসার জন্য ভিসা নিতে গিয়ে যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। আমেরিকা থেকে কারা নাকি অনেক চিঠি পাঠিয়েছেন দূতাবাসে যেন জুয়েল আইচের দলকে ভিসা না দেয়া হয়। কারণ কী? তাতে নাকি উদ্যোক্তারা বিপদে পড়বে। তাতে অন্যপক্ষের খুব আনন্দ হবে। এটাকেই কি আমরা বাঙালি চরিত্র বলবো?

সরদার ফজলুল করিম লিখেছেন ‘বাংলাদেশের বিদ্যমান পরিস্থিতিতে রুশোর সোশ্যাল কন্ট্রাক্টের পাসঙ্গিকতা’’। কপর্দকহীন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাবিহীন ভবঘুরে রুশো সম্পর্কে ধরতে গেলে কিছুই জানিনা আমি। রুশো বিশ্বাস করতেন সভ্যতা হচ্ছে মানুষের জন্য অভিশাপ। আমার কাছে এ সিদ্ধান্ত খুব পেসিমিস্টিক মনে হয়। সত্যি বলতে কি আশীর্বাদ আর অভিশাপের প্রচলিত কনসেপ্ট আমি বিশ্বাস করিনা। রুশো সম্পর্কে কিছু পড়াশোনা করতে হবে যদি সময় পাই।

১০ নভেম্বর জনকণ্ঠে আবদুল গাফফার চৌধুরী লিখেছেন ‘‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কালাপাহাড়ের’ আবির্ভাব (?)’’। অধ্যাপক আফতাব আহমাদ সম্পর্কে লিখেছেন। আফতাব সাহেবকে দেখেছিলাম ১৯৯১ সালে। আমাদের ইউনিভার্সিটি  তখন বন্ধ শিবিরের অত্যাচারে। ইউনিভার্সিটি খোলার ব্যাপারে শিক্ষকরাও দু’ভাগ হয়ে গেলেন। বিকল্প হিসেবে এম-ই-এস কলেজে আমাদের ক্লাস শুরু হলো। সেখানে আফতাব সাহেব বেশ জ্বালাময়ী ভাষণ দিয়েছিলেন শিবিরের বিরুদ্ধে। অতিবাম আর ডানে যে খুব বেশি পার্থক্য নেই তা তো দেখতেই পাচ্ছি।

এই আফতাব সাহেবই বলেছেন বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত বদলে ফেলা দরকার কারণ একজন ভারতীয় হিন্দু এটা রচনা করেছেন। পাকিস্তানের জাতীয় সংগীতের রচয়িতা ভারতীয় কবি জলন্ধর। আর সুর নেয়া হয়েছে প্যারিসের নাইট ক্লাবের একটা গান থেকে। এ সম্পর্কে আমাদের জেহাদীরা কিছু বলেন না কেন? ইন্ডিয়ার জাতীয় সংগীতের পরে যে গানটা সব চেয়ে বেশি গীত হয় তা হলো ‘সারে জাঁহাসে আচ্ছা হিন্দুস্তাঁ হামারা’’ গানের রচয়িতা ইকবাল। ইন্ডিয়ানরা সেটা নিয়ে কোন বাছবিচার করেনা। অবশ্য বিজেপির মৌলবাদীরা করে কিনা আমি জানিনা। আফতাব সাহেব ভালোই পুরষ্কৃত হয়েছেন। এখন নাকি তিনি জিয়াউর রহমানের জীবনী লেখার জন্য পাবেন ৩০ লাখ টাকা। লেখকের সম্মানী। প্রজেক্টের জন্য নাকি ৭০ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। আফতাব সাহেব নিজে লিখবেন না জীবনী। তিনি ডিকটেশন দেবেন। যিনি ডিকটেশন নেবেন তিনি পাবেন ৭০ হাজার টাকা।

১৩ নভেম্বরের ভোরের কাগজে আবদুল গাফফার চৌধুরি লিখেছেন ‘‘আইয়ুবের ২৭ অক্টোবর এবং জিয়াউর রহমানের ৭ নভেম্বরঃ এ দুয়ের মধ্যে পার্থক্য কোথায়? ২৭ অক্টোবর জেনারেল আইয়ুব জেনারেল ইসকান্দার মির্জাকে সরিয়ে ক্ষমতা দখল করেছিলেন। পরে জাতিকে বাধ্য করেছেন সেদিনকে বিপ্লব দিবস হিসেবে পালন করতে। বাংলাদেশের ৭ নভেম্বরের মতো। মাহফুজ আনামের নাকি মন্ত্রী হবার সম্ভাবনা আছে।

১০ নভেম্বর যুগান্তরে মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর লিখেছেন ‘নিরাপদ ক্যাম্পাস কি একেবারেই অসম্ভব?’ আমাদের দেশের ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাস সম্পর্কে লিখেছেন। ক্যাম্পাস হলো নিত্য রণক্ষেত্র।

একই রকম বিষয় নিয়ে একই দিনের ভোরের কাগজে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদিকা লিখেছেন ‘দেশের সর্বোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রীদের জীবন কেমন?’’ একটা সময় ছিলো যখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মেয়েরা সবচেয়ে বেশি নিরাপদ মনে করতো। এখন? জানি না। ছাত্রীরা আলাদা হলে থাকে। তাদের জন্য নানারকম নিয়ম কানুন আছে। তারপরেও সেখানে মেয়েদের ওপর সংঘবদ্ধ বা বিচ্ছিন্ন আক্রমণ ঘটে। অথচ আমেরিকা বা অস্ট্রেলিয়ায় ছেলেমেয়ে একসাথে একই হলে থাকে। কীভাবে থাকে তারা? আমরা কি মানুষ নই?

মনে পড়ছে মেলবোর্নের একটা সেমিনারের কথা। সেখানে পশুদের যৌনপ্রবণতা প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে প্রফেসর বলেছিলেন পশুদের মধ্যে অনেক পুরুষ পশুর মাঝে কোন নারীপশু থাকলে নারীপশুর প্রতি যৌন-আক্রমণ ঘটবেই। সেখানে দেখা যাবে পুরুষ পশুরাও পরস্পর যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছে এজন্য। মানুষেরা মানুষ বলেই এরকম নয়। ব্যাপারটা ঠিক হলে কী সিদ্ধান্ত নেয়া যায়? আমরা কি এখনো মানুষ হইনি? পশু রয়ে গেছি। 

=====
কলম্বাস, ওহাইও

No comments:

Post a Comment

Latest Post

পাঠকের দিনলিপি ১১-ডিসেম্বর-২০০৪

  ১১/১২/২০০৪ ভোরের কাগজে গণিতবিদ রামানুজন আয়েঙ্গারকে নিয়ে বেশ কিছু রচনা প্রকাশিত হয়েছে। এর কয়েকটা অনুবাদ, আর একটা হলো মোটামুটি জীবনীমূলক। ...

Popular Posts