Monday, 24 August 2026

পাঠকের দিনলিপি ১১-নভেম্বর-২০০৪

 



নভেম্বর ১১, ২০০৪

সময় বেশ দ্রুত চলে যায়। গত কয়েকদিনে বেশ কিছু ভালো মন্দ সিনেমা দেখেছি ডিভিডি প্লেয়ারে। জার্নালিজম লাইব্রেরী আর মেইন লাইব্রেরী থেকে এনে।

প্রথমেই ধরা যাক দীপা মেহতার ছবি ফায়ার। এই ছবিটা ইন্ডিয়ায় নিষিদ্ধ করা হয়েছে বিজেপির শিবসেনাদের চাপে। তারা বেশ কিছু সিনেমা হলও ভেঙেছে সেখানে। এই ডিভিডিতে তার কিছু তথ্যচিত্রও সংযোজিত হয়েছে। দীপা মেহতার আরেকটা সিনেমা আমি আগে দেখেছিলাম ‘আর্থ’। ১৯৪৭

এর দেশভাগের সময়ের ঘটনা নিয়ে। ছবিটা বেশ ভালো লেগেছিলো। 

ফায়ার সিনেমাটা আমার কেমন লেগেছে বললে সোজা কথায় বলতে হচ্ছে আমার ভালো লাগেনি। কারণ সিনেমার ঘটনার উপস্থাপনা যেরকমই হোক বিষয়টা আমার কাছে ভালো লাগেনি। হতে পারে এটা আমার রক্ষণশীল মনোবৃত্তির পরিচয় বহন করছে। 

ছবিতে সীতার স্বামী স্ত্রীকে উপেক্ষা করে ঘরে থেকেও সন্নাসী হবার চেষ্টা করছে। এক সাধুবাবার কাছে তার নিত্য যাতায়াত। ছোটভাই একজন চায়নিজ মেয়ের সাথে প্রেম করছে, কিন্তু তারপরও সংসারে সবার চাপে সে বিয়ে  করে আনে নন্দিতা দাসকে। 

ভালোবাসাহীন দাম্পত্যজীবন তাদের। অসুখি দুজন গৃহবধূ পরস্পর শারীরিক ভাবে আকৃষ্ট হয়। সিনেমায় খোলামেলা দেখানো হয় তাদের (শাবানা আজমী আর নন্দিতা দাসের) শরীর বিনিময়। আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতির সাথে মেলে না এগুলো। গোপনে এরকম সম্পর্ক যে নেই তা আমি বলছি না, কিন্তু সব গোপনীয়তা প্রকাশ করার পয়েন্টটা কী? অর্থাৎ দীপা মেহ্‌তা এখানে কী বলতে চেয়েছেন? 

স্বামীর সাথে সুস্থ যৌনজীবন না থাকার কারণেই তারা লেসবিয়ান হয়ে গেছে এই তত্ত্ব প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করা হয়েছে এখানে। কিন্তু তত্ত্বটা তো সত্য নয়। আর কমপক্ষে দুবার দেখানো হয়েছে একটা ছেলে হস্তমৈথুন করছে। এটাও একটা গোপন সত্য। কিন্তু এগুলোকে প্রকাশ্যে দেখানোর যুক্তিটা আমি খুঁজে পাচ্ছি না। 

দীপা মেহ্‌তা বলতে পারেন এতে দোষের কী আছে? আমি দোষের কথা বলছি না, আমি বলছি যুক্তির কথা, শিল্পের কথা। বই আর সিনেমার কিছু পার্থক্য থাকবে না? ইউরোপের অনেক সিনেমাই খোলামেলা যৌনতায় ভরা। আমি সেগুলোর শিল্পমূল্য যাই থাক, বলতে পারি না যে খুব মহৎ কিছু। তসলিমা নাসরিনের সত্য বলাটাকে সাপোর্ট করলেও মাঝে মাঝে বলার ভঙ্গিটাকে যেমন সাপোর্ট করতে পারি না, সেরকম দীপা মেহ্‌তার এই সিনেমার ব্যাপারেও আমি বলবো কিছু দৃশ্যের কোন দরকার ছিলো না। তিনি সিনেমাটা বানিয়েছেন ইংরেজিতে, হয়তো ইউরোপীয় দর্শকদের কথা বিবেচনা করেই। কিন্তু তিনি সেখানে যাদের কথা বলেছেন, যে চরিত্রগুলো তৈরি করেছেন সেগুলো ভারতীয় সংস্কৃতির বড় কোন অংশ নয়।

বিজেপির গুন্ডারা যেভাবে সিনেমা হলে আক্রমণ করেছে তাও আমি সমর্থন করি না।

উডি অ্যালেন হলেন হলিউডের  তাত্ত্বিক সিনেমা নির্মাতা। হাসির সিনেমা, কিন্তু বেশ বড় বড় কথা বা তত্ত্ব থাকে কোন না কোন। যাকে বলা হয় বুদ্ধিজীবীদের সিনেমা নির্মাতা। নিজেও অভিনয় করেন বেশির ভাগ সিনেমাতেই। আর মনে হয় না তাঁর সিনেমাগুলো খুব একটা বড় বাজেটের হয়ে থাকে।  অ্যালিস ছবিটা ভালো লাগলো। কেন্দ্রীয় চরিত্রের নামে এই সিনেমা। সংসারের নানা কাজে এই গৃহবধূটি নিজের কোন আইডেন্টিটি খুঁজে পায় না। চমৎকার একটা মিথ্যার আবরণে ঢাকা থাকে সাজানো গোছানো সংসার, সমাজ, সামাজিক সম্পর্ক।

ইনগ্রিড বার্গম্যানের ছবি ‘অটাম সনাটা’। মা ও মেয়ের গল্প। মা বেশ রাশভারী, বিশিষ্ট লেখিকা। দুই মেয়ে তাঁর। ছোটটা প্রতিবন্ধী। মেয়েদের কখনো নিজের কাছে ভিড়তে দেননি তিনি। মায়ের কর্তব্য হয়তো করেছেন, কিন্তু মায়ের ভালোবাসা বলতে যা বুঝানো হয় তা মেয়েরা কখনোই পায়নি তাঁর কাছ থেকে। বড় মেয়েটা ছোটবেলা থেকে ভালোবাসাহীন বড় হওয়াতে তার ভেতর ভালোবাসার কোন ক্ষমতাই জন্মায়নি। সে কাউকে ভালোবাসতে পারে না। সে কর্তব্য করে। কিন্তু বড় যান্ত্রিক সে কর্তব্য। মা এই মেয়ের কাছে ছুটি কাটাতে এলে সেখানে মা ও মেয়ের মাঝে কথা হয় দীর্ঘদিন পর। মেয়ে মুখ খোলে, অপ্রিয় কথাগুলো বেরিয়ে আসে এক সময়। ভালো লেগেছে ছবিটা। মূল সুইডিশ ভাষায় তৈরি হলেও ইংরেজি ডাবিং করা আছে। সুতরাং কোন অসুবিধা হয় না।

হ্যারিসন ফোর্ডের সায়েন্স ফিকশান ‘দি ব্লেড রানার’। মাঝারী মানের একটা সিনেমা। মারপিটে ভর্তি।

একটা উদ্ভট সিনেমা দেখলাম ‘দি ড্রিমার্স’। ফরাসী নির্মাতার ইংরেজিতে ডাব করা সিনেমা। এরকম রুচি বিকৃতি ফ্রান্সে হয়তো খুব স্বাভাবিক। কিন্তু আমার কাছে খুব বাজে লেগেছে। যমজ ভাইবোন বড় হয়েছে একসাথে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে তারা স্বাভাবিক নয়, এই অর্থে যে তারা বড় হয়েও এক বিছানায় উলঙ্গ হয়ে শোয়। বোন ভাইকে বাধ্য করে নানারকম বিকৃত আচরণ করতে। যৌনতাকে এরকম বিকৃতির পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে কোন সুস্থ মানুষ?

আবার খুব বেশি তত্ত্বকথায় ভর্তি থাকলেও হজম হয় না। যেমন ‘ফেইসেস’। এই সিনেমাটা আমি পুরো দেখতে পারিনি। ধৈর্য হয়নি। মানুষের মানসিক নানা স্তরের কথা। সিনেমায় বেশি কথা বলার দরকার থাকে কি? যে কথা লিখে বোঝাতে অনেক পৃষ্ঠা লাগে, সেটাই বোঝানো যায় কয়েকটা শটে। এরকম বিপদে পড়েছিলাম ‘হু ইজ এফ্রেইড অব ভার্জিনিয়া উল্‌ফ’’ দেখতে গিয়ে। এলিজাবেথ টেইলর আর রিচার্ড বার্টনের এই ছবিটা বেশ ভালো বলে  থাকেন অনেকে, কিন্তু আমার কাছে খুব একটা লাগেনি।

একটা চমৎকার ছবি Being There.  পিটার সেলার্স আর শিরলি ম্যাক্‌লেইনের ছবি। একজন মানুষ ছোটবেলা থেকে বড় হয়েছে খালি টিভি দেখে আর একটা বাড়ির ভেতরে। কোনদিন বাড়ির বাইরে যায়নি সে, লিখতে পড়তে শেখেনি। কিন্তু টিভি দেখে দেখে সুন্দর করে কথা বলতে শিখেছে, সভ্যতা শিখেছে। কাজ বলতে সে যা জানে তা হলো বাগান করা। একদিন তার বাড়ির মালিক মারা গেলে সে বাধ্য হয় রাস্তায় বের হতে। সেখানে নানা রকম মজার ব্যাপার ঘটে। অসম্ভব ধনশালী আর ক্ষমতাশালী একজনের সাথে তার পরিচয় ঘটে। রাতারাতি সে বিখ্যাত মানুষ হয়ে যায়। সে সত্য কথা বলে। কিন্তু সবাই তার কথার আক্ষরিক অর্থ না ধরে ভাবার্থ বুঝে নেয়। যেমন সে বলে পড়তে পারে না। সবাই ভাবে সময় নেই তার তাই। লিখতে পারে না। সবাই ধরে নেয় সে ডিক্টেশান দেয়। এরকম। বেশ সুন্দর সিনেমা।

আরো কয়েকটা সিনেমা দেখা হয়েছে এই ক’দিনেঃ American Graffiti, L.A.Confidential, Interiors, Bananas, Hannah and Her Sisters, Broadway Danny Rose. শেষের চারটি ছবি উডি অ্যালেনের। উডি আমেরিকান সমাজের কথা বলেন তাঁর সিনেমায়। মাঝে মাঝে মনে হয় তিনি একটু বাম ঘেঁষা। 

৬ নভেম্বরের ভোরের কাগজে আবদুল গাফফার চৌধুরি লিখেছেন ‘আরও চার বছরের জন্য জঙ্গল যুগের অন্ধকার’। আমেরিকার সাম্প্রতিক নির্বাচন নিয়ে লিখেছেন তিনি। আমি গত একবছরের বেশি আমেরিকায় আছি। কিন্তু এখানে জঙ্গল যুগ দেখিনি কোথাও। চৌধুরি সাহেবের সাথে আমি একমত হতে পারছি না। তিনি যা লিখেছেন তা খন্ডিত। আমার অবাক লাগে যখন আমেরিকা নিয়ে আমেরিকানদের চেয়েও বাংলাদেশি সাংবাদিকরা বেশি বুঝে ফেলেন। তাও মাত্র কয়েকদিন ওয়াশিংটন বা নিউইয়র্কে ভ্রমণ করেই। 

এদেশের মানুষ খুব চেনা মানুষ ছাড়া আর কারো সাথে রাজনৈতিক আলোচনা করে না বাধ্য না হলে। আর এবার বুশ এত বেশি ভোটের ব্যবধানে জিতেছেন যে তাকে চৌধুরি সাহেবরা বলছেন আমেরিকানদের স্টুপিডিটি। মালয়েশিয়ার মাহাতির মোহাম্মদও বলেছেন আমেরিকানরা স্টুপিড। আমি জানি না কীসের ভিত্তিতে এরকম কথা বলা। আমাদের দেশে যারা খালেদা জিয়ার পার্টিকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করে, মতিউর রহমান নিজামীকে মন্ত্রী বানায় তারাও বলে আমেরিকানরা স্টুপিড। এদেশে কি একজন মন্ত্রীও আছে যে কিনা আলতাফ হোসেনের মত? একজন সিনেটরও আছে যে কিনা মুফতি আমিনীর মতো? দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর মতো? যে সমস্ত ইস্যুতে ভোট দিলো আমেরিকার মানুষ, বাংলাদেশে সে ইস্যু গুলোতে ভোট হলে কি তারা তার বিরুদ্ধে ভোট দিতো? যেমন সমকামীদের বিয়ে ছিলো ইস্যু ওয়ান। বুশ ছিলো এর বিপক্ষে, কেরি পক্ষে। বাংলাদেশের মানুষ কি সমকামীদের স্বীকৃতি দেবে? যারা আহমদিয়াদের পেছনে লাগে তারা? আমরা নোবেল বিজয়ী আবদুস সালামকে নিয়ে গর্ব করি মুসলমান বলে, আবার আহমদিয়াদের অমুসলমান ঘোষণা করার জন্য দাবী তুলি। আমি বুশকে সমর্থন করছি না। কিন্তু আমার কথা হলো কেরিকেও সমর্থন করার কিছু নেই। তিনি বলেছিলেন নির্বাচিত হলে লাদেনকে তাড়া করে মারবেন। তার মানে কী? লাদেন বাংলাদেশে গেলে তিনি বাংলাদেশেও সৈন্য পাঠাবেন!

রশীদ হায়দারের গল্প ‘অকুস্থলে’ একটু উচ্চমার্গের গল্প। হাতেম আলী রাস্তায় হাঁটছেন। এই হলো গল্প।

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের গল্প ‘যমজ কাহিনী’। গল্প লেখার গল্প। একজন লেখক গল্প লিখতে বসে প্লট পাচ্ছেন না তাই আশপাশ বর্ণনা করছেন। অনেকদিন আগে বেকার কালে যমজ দুইবোনকে পড়াতেন। একদিন ঝড়জলের সন্ধ্যায় একজনকে চুমু খেয়েছিলেন। কিন্তু পরে কোনদিনই বুঝতে পারেননি তিনি আসলে কোন্‌জনকে চুমু খেয়েছিলেন।

কণা বসুমিশ্রের গল্প ‘আড্ডার মেজাজে’। উচ্চপদে কর্মরত অফিসারদের বৌয়েরা যাদের বরের অফিস থেকে টেলিফোন আর টেলিফোন বিল দুটোই দেয়া হয় আর যাদের নিজেদের কোন কাজ নেই, তারা টেলিফোনে আড্ডা মারে। এরকম একটা আড্ডার গল্প।

শেখর বসুর ধারাবাহিক গল্প ‘বিনা মেঘে’ এখন অকারণে টেনে টেনে লম্বা করা হচ্ছে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম জিয়াউর রহমানের নামে করার জন্য ভিসি আফতাব উদ্দিন বিল পাস করিয়েছেন। এর বিপক্ষে  লিখেছেন মোহীত উল আলম। আমাদের বাংলাদেশে এরকম নাম নিয়ে কাজ সব সময়েই চলে। জানি না কেন। আমরা অদ্ভুত একটা জাতি। কতটা অদ্ভুত তা আমরা নিজেরাও জানি না। এখন এই নামকরণ নিয়ে চলবে অনেক লেখা।

প্রথম আলোর সাময়িকীতে আসাদ চৌধুরিকে লেখা আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের একটা চিঠি প্রকাশিত হয়েছে এবং তা নিয়ে লিখেছেন আসাদ চৌধুরী। ইলিয়াস আসাদ চৌধুরীকে ডাকতেন অশ্রুকুমার।

নেতাজী সুভাষ বসু সম্পর্কে লিখেছেন এম আজিজুল জলিল। সুভাষ বসু সম্পর্কে খুব বেশি জানি না। তবে তিনি দুবার কংগ্রেসের সভাপতি হয়েছিলেন। মহাত্মা গান্ধীর সাথে সম্পর্ক ভালো ছিলো না তাঁর। সুভাষ বসু চমৎকার নেতা ছিলেন তাতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু তিনি জাপানীদের সাথে হাত মিলিয়েছিলেন, হিটলারের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করেছিলেন এটা মেনে নেয়া যায় না।

শাহাদুজ্জামানের ভিয়েতনাম ভ্রমণকাহিনী পড়লাম। ভালো লেখেন তিনি। ভিয়েতনামের হো চি মিন সম্পর্কে জানা গেলো কিছুটা।

সাগুফতা শারমীনের গল্প ‘প্রমাদ’ পড়লাম। গল্প বলতে জানেন তিনি। গল্পটা সুন্দর। সদাগরি অফিসের কর্মচারী শফিকুলের সাথে সুন্দরী রিনির বিয়ে হয়। দিনের বেলা যখন শফিকুল অফিসে থাকে তখন রিনি ছাদে ওঠে খোলা আকাশের নিচে অনাবৃত হয়ে স্নান করে প্রতিদিন। একদিন এসময় শফিকুল ফেরে অফিস থেকে। এভাবে নিয়মিত হয়ে যায় তাদের দুপুরের প্রণয় প্রবণতা। কিন্তু কোথায় যেন ভুল হয়ে যায়। রাতের শফিকুল আর দুপুরের শফিকুলের মধ্যে পার্থক্য দেখা যায়। দুপুরে যে আসে সে কেমন শফিকুল তা গল্পে উহ্য থাকে, কিন্তু রিনির মাঝে প্রাণ পেতে থাকে দুপুরের শফিকুলের বীজ।

নবনীতা দেবসেনের লেখা শুভ বিজয়া পড়লাম। তিনি কি এখনো দেবসেন লেখেন নাকি শুধু দেব লেখেন? অমর্ত্য সেনের সাথে তো নাম শেয়ার করার সম্পর্ক আর নেই। তো যাই হোক। তাঁর লেখা থেকে জানা গেলো কলকাতায় দুর্গাপূজায় প্রতিমা আর পূজা মন্ডপ নিয়ে এখন বেশ পরীক্ষানিরীক্ষা চলছে। কিছু ভালো দিক হলো রাত দশটার পরে মাইক বন্ধ হয়ে গেছে। উচ্চস্বরে হিন্দি গান বন্ধ হয়ে গেছে। কারণ পূজার পরিবেশের ওপরও বিচারকরা নাম্বার দেন। আর চালু হয়েছে থিম। এখন নানারকম থিমের ছড়াছড়ি সেখানে।

তৌকীর আহমেদ সিনেমা তৈরি করেছেন ‘জয়যাত্রা’। জয়যাত্রা মিশন পড়লাম। মনে হচ্ছে সিনেমাটা ভালো হয়েছে। বাংলাদেশে গেলে দেখবো যদি তার আগে দেখার সুযোগ না হয়।

----------

কলম্বাস, ওহাইও

No comments:

Post a Comment

Latest Post

পাঠকের দিনলিপি ১৭-নভেম্বর-২০০৪

  নভেম্বর ১৭, ২০০৪ প্রথম আলো’র ১০ নভেম্বর নারীপক্ষে আশা নাজনীন লিখেছেন বৃদ্ধাবাসে মায়েদের ঈদ প্রসংগে। বাংলাদেশে প্রবীণ হিতৈষী সংঘের উদ্যোগ...

Popular Posts