মলাটের পরিচিতি
থেকে জানা গেলো তাবাসসুম নাজ প্রবাসী চিকিৎসক। বিনা চেষ্টায় লেখক হয়ে গেছেন পেন্সিল
গ্রুপে লিখতে লিখতে। তাতে কোনো সমস্যা নেই। কে কীভাবে লেখক হলেন সেটা গুরুত্বপূর্ণ
হয়ে ওঠে লেখক হিসেবে বিশেষ কেউ হয়ে ওঠার পর।
এই উপন্যাসটির কাহিনি খুব বেশি সিনেমাটিক। অনেকটা সিনেমা দেখে উপন্যাস লেখার মতো। সেই অনেক কাল আগে সাদাকালোর যুগেই এরকম কাহিনির সিনেমা হয়ে গেছে।
রায়ান আর রায়না
বিয়ে করে তাদের নানুর অনুরোধে। তাদের ভেতর ভালোবাসা জন্মানোর সব উপাদান থাকা সত্ত্বেও
ভালোবাসা তৈরি হবে কি না এটাই গল্পের ক্লাইম্যাক্স!
বইটি পড়লে সত্যিই
মনে হবে পৃথিবীতে এখন সমস্যার টানাটানি দেখা যাচ্ছে। ছাপা বাঁধাই সব উন্নতমানের। লেখা
এবং কাহিনিও যদি সেরকম হতো!

No comments:
Post a Comment