আশির আহমেদ-এর লেখা এই বইটি পড়ার আগে পড়িনি। তবে আশির আহমেদ নামটি বেশি পরিচিত। লেখক হিসেবে না হলেও – অন্য একটি কারণে তিনি বাংলাদেশের অনেকের কাছেই পরিচিত। জাপানের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তিনি অনেকগুলি বই লিখে ফেলেছেন বলেও শুনেছি। তবে এখনো সেই বইগুলি পড়া হয়ে ওঠেনি।
আমাদের লাইব্রেরিতে
প্রতি বছরই বেশ কিছু বই কেনা হয়। দূরে থাকার কারণে বইগুলির স্পর্শ পেতে অনেক সময় বছর
কেটে যায়। কিন্তু সুযোগ পাওয়ার সাথে সাথে বইগুলি উল্টেপাল্টে দেখে যতগুলি সম্ভব পড়ার
চেষ্টা করি। সোরাকাশ হাতে উঠেছে সেভাবে, আর দ্রুত পড়ে ফেলেছি আশির আহমেদ-এর লেখা পড়ার
আগ্রহ থেকে।
গল্পের নায়ক
জাপানে থাকেন। পিএইচডি করে দেশে ফিরছেন। কুয়ালালামপুর থেকে ট্রানজিট। সেই প্লেনটাতেই
যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। নামার সময় সামনের চাকা খুলছিল না। ফ্লাইটের ভেতর অস্থির
সবাই। নিচে এয়ারপোর্টে আপনজনদের উৎকন্ঠা। এর ভেতর উপন্যাসে যা হয়ে থাকে – ফ্লাশব্যাক।
স্মৃতিচারণ। বর্ণনা। অতিনাটকীয়তার উপাদান ব্যবহারে পরিমিতি মাঝে মাঝেই সীমা ছাড়িয়েছে।
কিছু কিছু বিষয় এবং বর্ণনা অপ্রাসঙ্গিকও মনে হয়েছে।
উপন্যাস লেখার
ক্ষমতা অনেকের থাকলেও সাহসের অভাবে লিখতে পারেন না। আশির আহমেদ-এর সাহস আছে। ক্ষমতার
ব্যাপারটি জানতে হলে তাঁর আরো লেখা পড়তে হবে।

No comments:
Post a Comment