Saturday 22 September 2018

আইরিন কুরি ।। পঞ্চম পর্ব



ঠিক সকাল ১১টাতেই মাদামের অফিসে ডাক পড়লো ফ্রেডের। রুমে ঢুকলেন ফ্রেড। খুবই সাধারণ অফিসে খুবই সাধারণ কালো পোশাকে বসে আছেন অসাধারণ মাদাম কুরি। মাথার চুল সব সাদা হয়ে গেছে, উজ্জ্বল চোখের দৃষ্টি। 
         “বসুন মঁসিয়ে”
“ধন্যবাদ মাদাম”
“মঁসিয়ে জুলিও, মঁসিয়ে লাঁজেভি আপনার কথা বলেছেন আমাকে। দেখি আপনার সার্টিফিকেটগুলো।”
“ইয়েস মাদাম”
“আপনি ফিজিক্স আর কেমিস্ট্রি নিয়ে পাস করেছেন ইপিসিআই থেকে। কিন্তু আপনার কোন ইউনিভার্সিটি ডিগ্রি নেই। ইউনিভার্সিটির ডিগ্রি ছাড়া আপনি তো বেশি কিছু করতে পারবেন না। কমপক্ষে মাস্টার্স পাস না করলে তো শিক্ষক হতে পারবেন না। আপনার বর্তমান ডিগ্রি নিয়ে আমাদের ল্যাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট পদের বেশি কিছু আপনাকে অফার করতে পারছি না। বেতন কিন্তু খুবই কম। মাসে মাত্র ৫৪০ ফ্রাঙ্ক পাবেন। ইচ্ছে করলে কালকেই কাজে যোগ দিতে পারেন।”
“অনেক ধন্যবাদ মাদাম। মিলিটারি সার্ভিসে আমার এখনো কয়েক সপ্তাহ বাকি আছে। কমান্ডিং অফিসারের কাছ থেকে রিলিজ নিয়ে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব যোগ দেবো মাদাম।”
“ঠিক আছে মঁসিও। আপনি এখন যেতে পারেন।”
ফ্রেডের মনে হলো আকাশের চাঁদ হাতে নিয়ে বেরোলেন মাদামের অফিস থেকে। খুশিতে আত্মহারা হয়ে সিঁড়ি দিয়ে লাফিয়ে লাফিয়ে নিচে চলে এলেন তিনি। আসার পথে খেয়ালই করলেন না রেডিয়াম-আকাশের আরেকটি উজ্জ্বল নক্ষত্র আইরিন তখন করিডোর দিয়ে মাদামের অফিসের দিকে যাচ্ছিলেন। 
ফ্রেডের আর তর সইছিল না। কমান্ডিং অফিসারকে গিয়ে অনুরোধ করলেন তাঁকে আর্লি রিলিজ দিতে। কমান্ডিং অফিসার বললেন - মাদাম কুরির কাছ থেকে লিখিত অনুরোধ নিয়ে এলে রিলিজ দেবেন। 
ডিসেম্বরের ৫ তারিখ কমান্ডিং অফিসারের অনুমতি নিয়ে রেডিয়াম ইনস্টিটিউটে আসতে আসতে সন্ধ্যা হয়ে গেল ফ্রেডের। ইনস্টিটিউটে তখন কেউ নেই। তথ্যকেন্দ্র থেকে ঠিকানা নিয়ে ছুটতে ছুটতে গেলেন মাদামের বাড়িতে। কলিংবেল বাজানোর কিছুক্ষণ পর যিনি দরজা খুললেন তাঁকে দেখে হতবাক হয়ে গেলেন চব্বিশ বছরের যুবক ফ্রেড - মানুষ এত সুন্দর হয়! 
মাদামের মেয়েদের কথা শুনেছেন ফ্রেড। আইরিন আর ইভের জন্য বুকের ভেতর ‘চিনচিন ব্যথা’ করে না এমন যুবক প্যারিসে একজনও নেই। কিন্তু সংবাদপত্রের খবর আর ছবি দেখে দীর্ঘশ্বাস ফেলা এক কথা, আর চোখের সামনে এক হাত দূরত্বে দাঁড়িয়ে দেবী-দর্শন অন্য কথা। ফ্রেড কতক্ষণ চুপ করে তাকিয়ে ছিলেন জানেন না, হঠাৎ খেয়াল হলো মাদ্‌মোজালও কিছুই না বলে জিজ্ঞাসু চোখে তাকিয়ে আছেন। নার্ভাসভাবে জিজ্ঞেস করেন ফ্রেড, “মাদাম কি বাসায় আছেন মাদ্‌মাজেল?”
“মাদাম কি জানেন যে আপনি আসবেন?” - নিরুত্তাপ কন্ঠ মাদ্‌মাজেলের। তারপর ফ্রেড যখন তার আসার কারণ বললেন কিছু না বলেই ভেতরে চলে গেলেন মাদ্‌মাজেল। ফ্রেড হতভম্ব হয়ে দাঁড়িয়ে রইলেন খোলা দরজার বাইরে। আইরিন কুরি যে কাউকেই পাত্তা দেন না তা নিজের চোখেই দেখলেন ফ্রেড। 
একটু পর মাদাম নিজে এসে বললেন, “ভেতরে আসুন মঁসিয়ে। বলুন কী দরকারে এসেছেন।”
“আমি দুঃখিত মাদাম আপনাকে এই অসময়ে ডিস্টার্ব করতে হলো। আমি ইনস্টিটিউটে গিয়েছিলাম - ”
“আইরিনের কাছে ওসব আমি শুনেছি। তারপর থেকে বলুন।” 
আবারো অবাক হন ফ্রেড। এঁরা কি একবার শোনা কথা দু’বার শুনলেও সময় নষ্ট হয় মনে করেন? ফ্রেড যথাসম্ভব সংক্ষেপে বললেন তাঁর কমান্ডিং অফিসারের কাছ থেকে রিলিজ নেয়ার জন্য মাদামের চিঠি লাগবে।
       “আমি চিঠি লিখে দিচ্ছি। কখন থেকে আপনি কাজে যোগ দিতে চান? খ্রিস্টমাসের পর নতুন বছরের প্রথম খোলার দিন থেকেই কাজ শুরু করতে পারেন।”
“ওকে মাদাম। তবে তার আগে রিলিজ পেলে আমি কি কয়েক সপ্তাহ আগেই যোগ দিতে পারবো?”
“ঠিক আছে।”
মাদাম চিঠি লিখে দিলেন। শুভ রাত্রি বলে বিদায় নিলে চলে এলেন ফ্রেড। 
তারপর কমান্ডিং অফিসারের কাছ থেকে রিলিজ নিয়ে সেনাবাহিনীর পাট চুকিয়ে রেডিয়াম ইনস্টিটিউটে যোগ দিয়েছেন ১৯২৪ সালের ১৭ ডিসেম্বর। সেদিনই আইরিন কুরির সাথে আবার দেখা হয়েছে ফ্রেডের। আইরিন তাঁর সুপারভাইজার। কর্মক্ষেত্রে প্রথম দিনেই আইরিনের ইস্পাত-দৃঢ় ব্যক্তিত্বের কাছে আত্মসমর্পণ করে ফেলেছেন ফ্রেড। 




নতুন স্বপ্ন

কয়েক দিনের মধ্যেই রেডিয়াম ইনস্টিটিউটের সবার সাথে বেশ বন্ধুত্ব হয়ে গেল ফ্রেডের। এতদিন যারা সবসময় গম্ভীর হয়ে থাকতেন তাঁদের মুখেও হাসির রেখা দেখা দেয় ফ্রেডের সংস্পর্শে। যন্ত্রপাতির ওপর ফ্রেডের দক্ষতায় যতটা মুগ্ধ সবাই - তার চেয়েও বেশি মুগ্ধ ফ্রেডের আচরণে। কয়েক মিনিটের আলাপেই মানুষের সাথে অন্তরঙ্গ হয়ে যেতে পারেন ফ্রেড। কিন্তু রেডিওএক্টিভিটি সম্পর্কে ধরতে গেলে কোন গভীর জ্ঞান নেই ফ্রেডের। 
একদিন আইরিন পোলোনিয়াম থেকে নির্গত আলফা পার্টিক্যলের ধর্ম ব্যাখ্যা করছিলেন,  “তেজষ্ক্রিয় মৌল থেকে তিন ধরনের বিকিরণ ঘটতে পারে। প্রথমত: গামা রশ্মি। গামা রশ্মি তড়িৎচৌম্বকীয় তরঙ্গ - আলোর বেগে চলে। এদেরকে সহজে থামানো যায় না। দ্বিতীয়ত: বিটা পার্টিক্যল। এগুলো আসলে ইলেকট্রন। এগুলোর যেহেতু ভর আছে এরা আলোর চেয়ে সামান্য কম গতিতে চলে। বিটা পার্টিক্যলগুলো পদার্থের ভেতর কয়েক সেন্টিমিটার পর্যন্ত যেতে পারে। আর তৃতীয়ত: আলফা পার্টিক্যল। এগুলো হলো সবচেয়ে ভারী। এরা আসলে হিলিয়াম নিউক্লিয়াস - ইলেকট্রনের চেয়ে প্রায় চার হাজার গুণ ভারী। এত ভারী বলে আলফা পার্টিক্যল খুব ধীরে ধীরে চলে। তাদের গতি হলো আলোর গতির প্রায় দশ ভাগের এক ভাগ।” [তখনো নিউট্রন আবিষ্কৃত হয়নি। নিউক্লিয়াসের মধ্যে শুধু প্রোটন আছে বলে মনে করা হতো। একটা প্রোটন ইলেকট্রনের চেয়ে প্রায় দু’হাজার গুণ ভারী। হিলিয়াম নিউক্লিয়াসে দুটো প্রোটন আছে। আইরিন সেই হিসেবে চার হাজার গুণ ভারী বলেছিলেন। নিউট্রনের ভরসহ হিসেব করলে আলফা পার্টিক্যল ইলেকট্রনের চেয়ে প্রায় আটহাজার গুণ ভারী।] 
ফ্রেড দ্রুত হিসেব করে আইরিনকে ইমপ্রেস করার জন্য বললেন, “মাদ্‌মাজেল, এই ধীরে চলা আলফা পার্টিক্যলগুলো কিন্তু কোথাও বাধা না পেলে মাত্র পঁচিশ সেকেন্ডে চাঁদে পৌঁছে যেতো।”
আইরিন কড়া চোখে তাকালেন ফ্রেডের দিকে। এরকম প্রাত্যহিক অসম্ভব ঘটনার সাথে বৈজ্ঞানিক ঘটনার তুলনা তাঁর কাছে বিজ্ঞান-অবমাননার সমান। ঠান্ডা গলায় কঠিন ভাবে বললেন আইরিন, “মঁসিয়ে, আলফা পার্টিক্যল খুব সহজেই তাদের সব শক্তি হারিয়ে ফেলে। পদার্থের ভেতর দিয়ে তারা কয়েক মিলিমিটারও যেতে পারে না। শূন্য মাধ্যমেও তারা কয়েক সেন্টিমিটারের বেশি যেতে পারে না। আপনার চাঁদে পৌঁছে যাওয়ার তুলনা এখানে খাটে না।”
ফ্রেড আর কিছু বলার সাহস পান না। তিনি বুঝতে পারেন না মানুষ কীভাবে এরকম বরফের মত হতে পারে। আইরিন কখনো রাগেন না, বিরক্তি প্রকাশ করেন না, আবার কখনো হাসেনও না। দরকার না থাকলে কারো সাথে কথা বলা তো দূরের কথা - ‘হাই’ ‘গুড মর্নিং’ ‘গুড বাই’ জাতীয় সাধারণ ভদ্রতাও করেন না। ফ্রেডের মাঝে মাঝে মনে হয় আইরিন আসলে মানুষ নন, রোবট। 
এই চব্বিশ বছর বয়সে ফ্রেডের চারপাশে পতঙ্গের মত ঘুরছে অনেক ফরাসি মেয়ে। তাদের কেউই ফ্রেডের মনে রেখাপাত করতে পারেনি। কিন্তু আইরিনকে যতই দেখছেন মনের ভেতর এক ধরনের অদ্ভুত অনুভূতি হচ্ছে ফ্রেডের। এর নাম কি ভালোবাসা? নিজের স্বভাবের সাথে কোন মিলই নেই আইরিনের। তাঁর চেয়ে বয়সে তিন বছরের বড় আইরিন। শিক্ষায় বড় আরো বেশি। আইরিন মাস্টার্স ডিগ্রি পাস করে ডক্টরেটের জন্য থিসিস লিখছেন। আর ফ্রেডের এখনো ব্যাচেলর ডিগ্রিও নেই। কোন্‌ যোগ্যতায় তিনি এমন আকাশ-কুসুম স্বপ্ন দেখেন? 
কিন্তু রেডিয়াম ইনস্টিটিউটে কাজ করার সুযোগ পাওয়াটাও তো আকাশ-কুসুমই ছিল। সেটা সত্যি হতে পারলে অন্যটা নয় কেন? কিন্তু এখানে কাজ তো পেয়েছেন মঁসিয়ে লাঁজেভি’র সুপারিশে। আইরিনের মন তো কারো সুপারিশে পাওয়া যাবে না। আইরিনের মনের কাছাকাছি যেতে হলে আগে মনের ঠিকানা জানা দরকার। কিসে খুশি হন আইরিন? বৈজ্ঞানিক উৎকর্ষ দেখাতে পারলে নিশ্চয় খুশি হবেন তিনি। রেডিয়াম ইনস্টিটিউটের যত বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি আছে সবগুলো খুব মনযোগ দিয়ে দেখতে শুরু করলেন ফ্রেড।
উইলসন ক্লাউড-চেম্বার আইরিনের প্রিয় যন্ত্র। আল্‌ফা ও বিটা কণার গতিপথ পরীক্ষা করে দেখা যায় এই ক্লাউড চেম্বারে। ক্যামেরা লাগিয়ে ছবিও তোলা যায় সেই গতিপথের। কিছুদিনের মধ্যেই ফ্রেড উইলসন ক্লাউড-চেম্বারের নকশায় কিছুটা পরিবর্তন করে যন্ত্রটার কাজের দক্ষতা ও সৌন্দর্য দুটোই বাড়িয়ে দিলেন। আইরিনের মুখে হাসি না ফুটলেও চোখের দৃষ্টিতে প্রশংসা দেখতে পেলেন ফ্রেড। ফ্রেড উৎসাহিত হয়ে উঠলেন। নানারকম বৈজ্ঞানিক আইডিয়া ভর করতে লাগলো তাঁর মাথায়। বিজ্ঞানের মধ্য দিয়েই হয়তো আইরিনের মনের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারবেন। 
কিন্তু একটু পরেই ঠান্ডা গলায় আইরিনের ধমক খেয়ে স্বপ্নভঙ্গ হলো ফ্রেডের।
  “ল্যাব এরকম অগোছালো করে রেখেছেন কেন? আপনার কাজের পদ্ধতি ঠিক নয় মঁসিয়ে।”
“কাজ করছিলাম তো মাদ্‌মাজেল, পরে সব গুছিয়ে রাখবো।”
“গোছাতে হবে কেন? অগোছালো না করলেই তো হয়। সব জিনিস জায়গামতো রাখাটাও কাজের অংশ।”
“কিন্তু মাদ্‌মাজেল যন্ত্রপাতি নিয়ে কাজ করতে গেলে কিছুটা অগোছালো তো হবেই।”
“আসুন আমার সঙ্গে” - বলেই ক্লাউড-চেম্বারের ল্যাব থেকে বেরিয়ে নিজের ল্যাবের দিকে হাঁটতে শুরু করলেন আইরিন।
আইরিনকে অনুসরণ করে তাঁর ল্যাবে ঢুকে অবাক হয়ে গেলেন ফ্রেড। কোন গবেষণাগার যে এত গোছালো হতে পারে ফ্রেডের ধারণা ছিল না। ফ্রেড বুঝতে পারলেন তাঁর চিরদিনের অগোছালো স্বভাব এবার বদলাতে হবে। ‘করতে হবে’র তালিকা ক্রমশ লম্বা হচ্ছে ফ্রেডের।
ফ্রেড খেয়াল করেছেন আইরিন প্রতিদিন সন্ধ্যায় কাজ শেষে ইনস্টিটিউট থেকে হেঁটে হেঁটে বাসায় ফেরেন। ভাবলেন যদি তাঁর হাঁটার সঙ্গী হওয়া যায়। একদিন কাজ শেষে আইরিনের ল্যাবের দরজায় গিয়ে দেখে এলেন আইরিনের কাজ শেষ হয়েছে কিনা। দেখলেন আইরিন তখনো কাজে মগ্ন। ফ্রেড বেরিয়ে ইনস্টিটিউটের গেটের কাছে এসে গার্ডের সাথে গল্প করতে লাগলেন। প্রায় ঘন্টা দুয়েক পর আইরিন গেট দিয়ে বেরিয়ে হাঁটতে শুরু করেছেন বাড়ির দিকে। 
আইরিন যে হাঁটতে পছন্দ করেন তা দেখেই বুঝতে পারলেন তুখোড় খেলোয়াড় ফ্রেড জুলিও। হঠাৎ মাথার মধ্যে বিদ্যুৎ খেলে গেলো তাঁর। আইরিনের সাথে তাঁর যে বিরাট মিল আছে - তা এতদিন চোখে পড়েনি। দু’জনই খেলাধূলা পছন্দ করেন। ফ্রেড প্রায় ছুটে গিয়ে আইরিনের সামনে দাঁড়ালেন। 

“মাদ্‌মাজেল, আমি আজ বিকেল থেকে আপনার সাথে দেখা করার চেষ্টা করেছি। আপনি এত ব্যস্ত, তাই এতক্ষণ এখানে আপনার জন্য অপেক্ষা করছিলাম।”
এরকম পরিস্থিতিতে সাধারণ ভদ্রতা হচ্ছে আইরিন বলবেন - ‘আমি দুঃখিত আপনাকে এতক্ষণ অপেক্ষা করতে হলো, ইত্যাদি ইত্যাদি’। কিন্তু আইরিন এসব করতে পারেন না। তিনি সারাদিন নিজের কাজ করছিলেন বলেই ব্যস্ত ছিলেন এবং সেজন্য দুঃখিত কেন হবেন? আইরিন কিছু না বলে চুপচাপ দাঁড়িয়ে গেলেন। ফ্রেড এতদিনে আইরিনের স্বভাব বুঝে গেছেন কিছুটা। অনেকটা সাহস সঞ্চয় করে বলে ফেললেন, “মাদ্‌মাজেল, আমি কি আপনার সাথে কিছুদূর হাঁটতে পারি?”
“কেন?”
“আলফা পার্টিক্যল সম্পর্কে আমার ধারণাগুলো আপনার কাছে ব্যাখ্যা করতাম, যদি আমার চিন্তায় কোথাও ভুল থাকে - আপনি ঠিক করে দেবেন।”
“ঠিক আছে, চলুন।”
ফ্রেড এটাই চাইছিলেন। আইরিন কোন কথা না বলুক - তাতে কী। নিজের ভাবনাগুলোকে তো বিজ্ঞানের মোড়কে হলেও আইরিনকে শোনাতে পারবেন। তাছাড়া প্রসঙ্গ ঠিকমত হলে আইরিন কথা বলবেন না কেন? 

No comments:

Post a Comment

Latest Post

Hendrik Lorentz: Einstein's Mentor

  Speaking about Professor Hendrik Lorentz, Einstein unhesitatingly said, "He meant more to me personally than anybody else I have met ...

Popular Posts