অক্টোবর ৬, ২০০৪। বুধবার
আজ বাংলাদেশের আগামীকালের সংবাদপত্রগুলি পড়লাম। বাংলাদেশের যখন রাত দুইটা তখন পেপারগুলির ইন্টারনেট সংস্করণ তৈরি হয়ে যায়। বিজ্ঞানের সুফল। কোন্ খবরটা কোন্ পত্রিকায় পড়েছি সেরকম নির্দিষ্ট করে কিছু বলতে পারবো না। তবে চোখ বুলিয়েছি যে পেপারগুলিতে তা হলো প্রথম আলো, ভোরের কাগজ, আজকের কাগজ, যুগান্তর, জনকণ্ঠ, ইনকিলাব।
প্রথম আলোতে আসিফ নজরুলের লেখা পড়লাম ঢাকা ইউনিভার্সিটি বন্ধ প্রসংগে। আমাদের দেশের মধ্যেই কিছুদিন পরেই দেখা যাবে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিগুলির রমরমা আর পাবলিক ইউনিভার্সিটি গুলির মৃত্যু। এই নিয়ে অনেক দিন আগে থেকেই লিখে চলেছেন প্রফেসর জাফর ইকবাল। কিন্তু তাঁর কথার মূল্য কেউ দেয়নি, আজো দিচ্ছে না।
কথা হচ্ছিলো অনির্বানের সাথে। সে
পশ্চিম বংগের দুর্বলতার কথা বলছিলো। সেখানে কোন ধরনের শিল্প কারখানা গড়ে ওঠেনি। এমনকি
কম্পিউটার প্রযুক্তিও না। কিন্তু সেখানেও বিশ্ববিদ্যালয় গুলির এরকম দশা নয়। আমাদের দেশের ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করে
দেয়া দরকার। এর ভালোদিক যাই থাকুক, তা অপেক্ষা করতে পারবে কিছুদিন।
ভোরের কাগজে জানা গেলো বাংলাদেশের
মাদ্রাসা গুলি ঘুরে দেখতে চান আমেরিকার রাষ্ট্রদূত। ঘুরে দেখবেন যা দেখানো হবে। পরে
হয়তো বলবেন এরকম ভালো আর কিছু হতে পারে না। আর আমাদের তো আমেরিকাকে গাল দেবো। আবার আমেরিকা
ভালো কিছু বললে তা পাত পেতে নেবো অবস্থা চিরদিন।
ভোরের কাগজে সিডনি থেকে অজয় দাশগুপ্ত
লিখেছেন বাংলাদেশ প্রসংগে। পার্থ সাহাকে নিয়ে। আমাদের দেশের সরকারের এই সময় পার্থ সাহার
মত বলির পাঁঠা দরকার ছিলো, তারা পেয়ে গেছে। না পেলেও খুঁজে নিতে দেরি হতো না। বি-এন-পি’র
গয়েশ্বর রায়কে হত্যার হুমকি দেয়া চিঠিটি পড়লাম ভোরের কাগজে। প্রথম লাইনেই লেখা হয়েছে
তুই ডান্ডির পোলা। বাংলাদেশে এই জন্ম-অপরাধটাই তো এক জনের পক্ষে যথেষ্ট। সরকারী দল
করলেও কি আর রক্ষা আছে তার? কি জানি, হয়তো আছে।
৫ তারিখের প্রথম আলোর সম্পাদকীয়তে
বলা হয়েছে শান্তিপূর্ণ সমাবেশের পরে আবার হরতাল কেন? আমাদের দেশের মানুষ এখন হরতাল
সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে। জানি না এই পথ কোন্দিকে। সাংবাদিক দীপংকর চক্রবর্তীকে
খুন করা হয়েছে। তার উপর সম্পাদকীয় আছে। সৈয়দ আবুল মকসুদের লেখা আদালত, আসামি, ফরিয়াদি,
সাক্ষী ও রায়। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্র একটা নাটকের অংশবিশেষের সাথে আমাদের বর্তমান কালের
অনেক কিছুই হুবহু মিলে যাচ্ছে।
আনিসুল হকের হোয়াট ইজ দিস? কাঁচা
মরিচ। পড়লাম। আমাদের দেশের মানুষের এখন নাগালের বাইরে চলে গেছে কাঁচা মরিচ। তবে কি
চাষও বন্ধ হয়ে গেছে সেখানে?
আবুল হায়াতের এসো নীপবনে পড়লাম।
সেখানে তিনি চট্টগ্রাম কলেজে তাঁর ছাত্রজীবনের একটা মজার স্মৃতির কথা লিখেছেন।
ভোরের কাগজে নুরুল ইসলাম বি-এস-সি
লিখেছেন ইন্ডিয়ায় বেড়াতে যাবার সময় এবং আসার সময় তাঁর কী কী হয়রানি পোহাতে হয়েছে। তিনি
বলছেন বাংলাদেশ আর ইন্ডিয়ার মধ্যে ভিসা ব্যবস্থা তুলে দেয়ার কথা। ব্যাপারটা ভালো তাতে
কোন সন্দেহ নেই। তবে আমাদের দেশে এমনিতেই ইন্ডিয়ার সাথে কোন কিছু করতে গেলে দেশ গেল,
মসজিদ গেলো, ধর্ম গেলো রব ওঠে। তখন কী হবে?
অনিরুদ্ধ আহমেদ দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর
কানাডা সফরের কথা লিখেছেন ভোরের কাগজে। তাঁর বক্তব্য ঠিক বুঝতে পারলাম না। দেলোয়ার
হোসেন সাঈদী ধর্ম ব্যবসায়ী তা তো জানা কথা। দেশের বাইরে যারা থাকেন, তারাও তো ধর্ম
ক্রেতা, তাই নয় কি? নইলে তাদের কেন ব্যাপারটাতে উৎসাহ দেখা যায় এতো বেশি।
আজকের পেপারে দেখলাম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে
বাংলা বিভাগের অন্ধ ছাত্রী নাজমা ইয়াসমিন একটা পার্ট টাইম কাজ খুঁজছে নিজের পড়াশুনা
চালিয়ে নেবার জন্য। তাকে সাহায্য হয়তো করবে অনেকেই। তবে এরকম কাজ অনেক বেশি করা উচিত
বলে আমি মনে করি সাঈদীদের চাঁদা দেয়ার চেয়ে।
ভোরের কাগজে জাপান থেকে মনজুরুল
হক লিখেছেন জোট সরকারের ছত্রিশ মাসের মধুচন্দ্রিমা আর জাতির বরাতে অশ্বডিম্ব।
বাংলাদেশে এখন সামরিক বাহিনীকে শেখ
হাসিনার একটা বক্তব্যের সাথে জড়িয়ে তাদের মাঝে সম্পর্ক খারাপ করে দেয়ার চেষ্টা চলছে।
এটা শুরু হয়েছে ইন্ডিয়ার সাংবাদিক কুলদীপ নায়ারের একটা লেখা থেকে। যতদূর মনে হচ্ছে,
এই নায়ার লোকটা সুবিধার নয়, বা সুবিধাবাদী। আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর যুগান্তরের লেখা
এই নিয়ে।
সরদার ফজলুল করিমের যে-লেখা লেখা
নয় পড়লাম জনকণ্ঠের পাতায়। ব্যাংকের টেবিলে রবীন্দ্রনাথ।
‘‘আমরা আরম্ভ করি, শেষ করি না,
আড়ম্বর করি, কাজ করি না।
যাহা অনুষ্ঠান করি তাকে বিশ্বাস
করি না,
ভূরি পরিমাণ বাক্য রচনা করিতে পারি
তিল পরিমাণ আত্মত্যাগ করতে পারি
না।
আমরা অহংকার দেখাইয়া পরিতৃপ্ত থাকি;
যোগ্যতা লাভের চেষ্টা করি না,
আমরা সকল কাজেই পরের প্রত্যাশা করি,
অথচ পরের ত্রুটি লইয়া আকাশ বিদীর্ণ
করিতে থাকি।’’
বদরুদ্দিন উমর বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা বিষয়ে বঙ্গবন্ধুকে খাটো করার জন্য জ্ঞানপাপী হয়ে একটা বা একাধিক লেখা লিখেছেন প্রথম আলোতে এবং আরো পত্রিকায়। এর একটা যুক্তিবদ্ধ এবং যথোচিত জবাব দিয়েছেন বাহ্জাদ আহমেদ জনকণ্ঠের ৪ ও ৫ তারিখের পাতায়। উদ্দেশ্যমূলক ভাবে ইতিহাস বর্ণনা করলে সেখানে বিকৃতি অবশ্যই আসবে এবং বদরুদ্দিন উমররা তা করে যাচ্ছেন।
তসলিমা নাসরিন এখন কোলকাতায় থাকেন। তাঁর নিজের ভাষায় ‘‘আমার প্রিয় কলকাতায়’’। তিনি উপার্জনের জন্যই হয়তো আনন্দবাজারে কলাম লেখেন এখন। রবিবাসরীয় প্রবন্ধে তিনি লিখেছেন পুজো কী, পুজো কেন। ভালো লেগেছে প্রবন্ধটি। যখন দেখিয়ে দেন এই তৃতীয় বিশ্বের একটা শহরে পুজোর নামে কত খরচ যে হয়ে যায়। তিনি উৎসব করতে বলেন, তবে পুজো নয়। আবার ছোটবেলার পুজার কথা মনে করে নস্টালজিক হন। এই প্রবন্ধটার জন্য বি যে পি তাঁর সমালোচনা করবেন কিনা আমি জানি না। তবে লেখাটা নিয়ে সমালোচনা করার আসলে কিছু নেই। মানে বিতর্কিত কিছু লিখেননি তিনি।
আনন্দবাজারে গল্প পড়লাম শতাব্দী রায়ের ভালবাসা। আধুনিক প্রেমের গল্প। শুরু হচ্ছে একটা এয়ারপোর্টে। সাজি সুন্দরী স্মার্ট আধুনিকা মধ্যবিত্ত আর দুঃখী মেয়ে। তিনবছর ধরে তার প্রেমিক মুটকোরাম উধাও। দেখা হয় কলেজ জীবনের বন্ধু বৃষ্টির সাথে। ভাব বিনিময় হয়, কথা বিনিময়। জানতে চাওয়া। বৃষ্টি পরিচয় করিয়ে দেয় তার প্রেমিক ইঞ্জিনীয়ার ঋতম চাটার্জীর সাথে। দেখা গেলো এই সেই সাজির হারিয়ে যাওয়া প্রেমিক। ঋতম বৃষ্টির সামনে এমন ভাব করে যেন সে সাজিকে আগে দেখেনি কখনো। প্লেনে তারা পাশাপাশি বসে। সেখানে বৃষ্টি বলে ঋতম খুব ভালো ইত্যাদি। সাজি তাদের কাছ থেকে পরে দূরে চলে আসে। সাজির মোবাইলে একজন এস এম এস পাঠাতো তিন বছর ধরে প্রত্যেকদিন একটা নির্দিষ্ট সময়ে। বলতো সে ভালো নেই। সাজি তার পরিচয় পায়নি এতদিন। এখন জানা গেলো সে ঋতম। বৃষ্টি বিয়ের চিঠি পাঠায়। লেখে সে ঋতমের মনের মানুষ হয়ে উঠতে পারেনি বলে তাকে বিয়ে করছে না। বড় সরল প্রেমের গল্প।
যুগান্তরে তসলিমা নাসরিনের একটা প্রবন্ধ ছাপা হয়েছে। আসলে প্রবন্ধ নয়, বলা উচিত তাঁর লেখা নাইপলের একটা বইয়ের সমালোচনা। নাইপলের লেখার মানের চেয়েও ব্যক্তিগত নাইপলকে ধোলাই করা হয়েছে সেখানে। ম্যাজিক সিড্স নামে বইটা আমি পড়িনি। তাই বই নিয়ে কথা বলতে পারবো না। তবে এখানে একটা কথা আমার খুব মনে হয়েছে তা হলো তসলিনা নাসরিনের স্ববিরোধীতা। তার নিজের কোন লেখার সমালোচনা করতে গিয়ে লোকে যখন তার নিজের জীবনের সমালোচনা করে তখন তসলিমা রেগে যান। এখানে তসলিমা নাইপলের বইয়ের সমালোচনা করতে গিয়ে নাইপলের সমালোচনা করলেন আগাগোড়া। নাকি একজন নোবেল বিজয়ীকে একটু কড়া কড়া অপমান জনক কথা বলতে পারলে ভালো লাগে!
ইসলাম ও বর্তমান নামে সা’দ উল্লাহর কলামটা আমার খুব প্রিয়। অজিত বলছিলো তাঁর দুই ছেলের সাথে নাকি অজিতের পরিচয় আছে, সে সুবাদে নাকি তাঁদের বাসায়ও গিয়েছে সে কয়েকবার। আমার সাথে তাহলে সা’দ উল্লাহ সাহেবের পরিচয় হবার একটা সুযোগ আছে। ২৪ সেপ্টেম্বর তারিখে লিখেছেন আমরা সবাই মোনাফেক। মোনাফিক বা ধর্মদ্রোহী। বর্তমান ইসলাম বলে যা কিছু চালাচ্ছে মৌলবাদীরা তা মোনাফেকির অংশ।
২২ সেপ্টেম্বর ভোরের কাগজে সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের পড়াশোনার দরকার নেই শুধু মাস্তানি করলেই চলবে লেখাটা খুব ভালো লেগেছে। আমাদের দেশের পড়াশুনার হাল সম্পর্কে লিখেছেন। মুনতাসির মামুনের মতো ঠিক না হলেও এই দেশে কেন জন্ম নিয়েছিলেন সেরকম একটা হতাশা আছে এখানেও।
২ অক্টোবর তারিখে ভোরের কাগজে মন্তব্য
প্রতিবেদনে মুনতাসীর মামুন লিখেছেন কেন এ দেশে জন্মেছিলাম! বাংলাদেশের পূর্ণিমাকে ধর্ষন
করেছে বি-এন-পি জোটের উল্লসিত গুন্ডারা। পূর্ণিমাকে নিয়ে এবং আরো অনেককে নিয়ে আমেরিকার
গায়ক লোরকান গান লিখেছেন,
I'm a Bangladeshi Hindu girl, I
cannot say my name
I cannot show my face to you, I'm
forced to flee in shame
I cannot find the words to tell,
what they did to me
when the gangs come to my village
and robbed my dignity'
২৮ লাইনের এই গানের শেষ লাইন হলো,
why is it not the rapist, who is
forced to hide his face.
মগের মুল্লুক আমি দেখিনি। আক্ষরিক অর্থে যারা মগ তাদের মুল্লুক এখন বার্মা। বৃহত্তর অর্থে থাইল্যান্ড, সিংগাপুরও। তাদের মুল্লুকে কি এখন অরাজকতা চলে? তাহলে এই বাগধারা বদলায় না কেন? আমার তো মনে হয় বলা উচিত জোটের মুল্লুক। মুনতাসির মামুনের মত মানুষ আজ লিখতে বাধ্য হচ্ছেন কেন এই দেশে জন্মেছিলাম।
সাপ্তাহিক ২০০০ এ মন্ত্রীদের তিন বছরে ব্যর্থতার পাল্লা ভারী প্রতিবেদন রচনা করেছেন। আমাদের দেশের মন্ত্রীদের গায়ে কোন এক অজানা কারণে যেন কোন ময়লা লাগে না, নাকি তারা নিজেরা এতই ময়লা যে সেখানে আর নতুন করে কী ময়লা লাগবে!
প্রবাসীদের পাতায় টরন্টো থেকে মেহজাবিন
আহমেদের ‘‘ মায়েরা সবধান’’ নামে লেখাটা মর্মস্পর্শী। বাংলাদেশের এক মা জার্মানীতে তাঁর
চার ছেলের কাছে গিয়ে কী যন্ত্রণা ভোগ করেছেন। সেজো ছেলে স্পনসর করেছিলো। কিন্তু তাদের সময় মতো না যাবার
জন্য সে খুব রাগ করেছে। এয়ারপোর্টেও আসেনি। মেজো ছেলের বাসায় ওঠে। দেখা গেলো ছেলের
বৌ খুব খারাপ ব্যবহার করে। সেজো ছেলে রেগেছে কারণ সে চেয়েছিলো তাদের সন্তান হবার সময়
যেন তার মা থাকে সেখানে। মায়ের পায়ের ব্যথা সবাইকে উদ্বেগের পরিবর্তে যেন বিরক্তির
কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বড়ছেলের বাড়িতে যাওয়া হলো। এই ছেলে খুব ভালো। কিন্তু স্ত্রৈণ।
তার স্ত্রী পছন্দ করে না এই মা’কে। ছোটছেলে খুব ভালো। তার জার্মান স্ত্রীও খুব ভালো।
মা সেখানে খুব ভালো ছিলেন। কিন্তু এই ছেলের সাথে অন্য ছেলেদের বৌদের কারো ভালো তো দূরের
কথা কোন সম্পর্কই নেই বললেও চলে। লেখাটা সত্যি ঘটনা হলেও মনে হয়েছে ছেলেদের বৌদের উপর
দোষটা চাপানো হয়েছে খুব বেশি। একমাত্র জার্মান বৌটাই ভালো!
প্রচ্ছদ কাহিনী খালেদা জিয়ার ঘুম
কি ভাঙবে? পড়ে মনে হলো খালেদা জিয়া জেগে জেগে ঘুমাচ্ছেন। তাহলে এই ঘুম তো সহজে ভাঙানো
যাবে না।
একটা সাহসী প্রতিবেদন লিখেছেন চট্টগ্রাম
থেকে সুমি খান। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে জামায়াত শিবিরের একচ্ছত্র রাজত্বের কিছু কথা।
আমি নিজেও কিছু দেখেছি আমাদের সময়ে। সময় এলে আমার নিজের রচনায় এই সম্পর্কে কিছু লেখার
ইচ্ছা আছে। আসলে একটা নিরাপদ অবস্থানে থেকে আমি লিখতে চাচ্ছি। সুবিধাবাদীরা যা করে
আর কি।
আর কে নারায়ণের অনেক বই পড়েছি আমি।
বলা যায় বেশির ভাগ বই পড়েছি। একটা বই মেলবোর্নে পাইনি আগে। এখানে পেয়েছি। Vendor
of sweets পড়তে শুরু করেছি এখন।
কলম্বাস, ওহাইও



